</p><br />
<table width="100%" border="1"><br />
<td><a href="http://www.quick-counter.net/" title="HTML hit counter - Quick-counter.net"><img src="http://www.quick-counter.net/aip.php?tp=bt&tz=Asia%2FDhaka" alt="HTML hit counter - Quick-counter.net" border="0" /></a></td><br />
<td>sc_online_i(1411238,"ffffff","e61c1c");</td><br />
<td><a href="http://www.quick-counter.net/" title="HTML hit counter - Quick-counter.net"><img src="http://www.quick-counter.net/aip.php?tp=bb&tz=Asia%2FDhaka" alt="HTML hit counter - Quick-counter.net" border="0" /></a></td><br />
</table><br />
<p>
Thursday, March 15, 2018
Sunday, March 4, 2018
Saturday, March 3, 2018
Tuesday, February 20, 2018
Sunday, February 4, 2018
shariyatpur এর মেয়ে fatafati danch sundori lolona song new 3 02 2018
shariyatpur এর মেয়ের মত এত সুন্দুর নাচ আর কোথাও দেখা যাবে না্্
https://www.youtube.com/watch?v=CyK8uQOMEkchttps://www.youtube.com/watch?v=CyK8uQOMEkc
https://www.youtube.com/watch?v=CyK8uQOMEkchttps://www.youtube.com/watch?v=CyK8uQOMEkc
Sunday, September 10, 2017
জানা-অজানা অবাক করা রহস্যময় কিছু মজার তথ্য!
জানা-অজানা অবাক করা রহস্যময় কিছু মজার তথ্য!
*১. আপনার জানা আছে কি, উট পাখির একটি ডিম মুরগির ডিমের চেয়ে ২৪ গুণ বড়!
*২. ‘উইলিয়াম সেক্সপিয়ার’ তার জন্মদিনে মৃত্যু বরণ করেছিলে!
*৩. আপনি জানেন কি, বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজাতি ‘চাকমা’, এবং ২য় বৃহত্তম উপজাতি ‘সাঁওতাল’!
*৪. বাংলাদেশ সৃষ্টির পূর্বে কিন্তু এটি ছিলো- “বঙ্গখাত বা Bango-Basin”!
*৫. একটি মৌমাছির ঝাঁকে ৩০,০০০ পর্যন্ত মৌমাছি থাকে!
*৬. মহিলারা দিনে গড়ে ৭ হাজার শব্দ বলে, যেখানে পুরুষরা বলে মাত্র ২ হাজার শব্দ!
*৭. আজ পর্যন্ত যতো মানুষ মারা গেছে, তার তুলনায় বর্তমানে বেঁচে আছে এমন মানুষের সংখ্যা বেশি!
*৮. জেনে অবাক হবেন যে, পৃথিবীর সমস্ত মানুষের ওজনের তুলনায় সমস্ত পিঁপড়াদের ওজন বেশি!
*৯. বিশ্বের প্রাচীনতম বিশ্ববিদ্যালয় হলো- ‘কারুইন বিশ্ববিদ্যালয়’, মরক্কো!
*১০. আপনার জানা আছে কি, চীন দেশে কোন জাতীয় ফুল ও পাখি নেই!
*১১. উত্তর আমেরিকার ‘গোল্ডফিঞ্জ’ নামক একটি পাখীর ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে পালকের রঙও পরিবর্তন হয়!
*১২. ঘুম ভেঙ্গে যাবার ৫ মিনিট পরেই স্বপ্নের অর্ধেক স্মৃতি আমাদের লোপ পায়!
*১৩. জেনে হয়তো অবাক হবেন যে, পৃথিবীর ৫০ ভাগেরও বেশী মানুষ এখনো মোবাইল ফোন চোখে দেখে নাই!
*১৪. চোখ খোলা রেখে হাঁচি দেয়া অসম্ভব! (নিশ্চয়ই আপনি এটি এখন চেষ্টা করছেন)!
*১৫. কোনো মানুষ কিন্তু নিজের শ্বাস রোধ করে নিজেকে হত্যা করতে পারে না!
*১৬. আপনি জানেন কি, পশুদের মধ্যে জিরাফের জিহ্বা সবচেয়ে কালো!
Friday, September 8, 2017
মহাকাশের অজানা তথ্য
মহাকাশের অজানা তথ্য
মহাকাশ
মহাকাশের অজানা তথ্য
* মহাকাশ স্টেশনটি একটি ৫ কক্ষবিশিষ্ট ঘরের সমান যা প্রতি ঘণ্টায় ১৭ হাজার ৫০০ মাইল বেগে ঘুরছে। এর আয়তন একটি ফুটবল মাঠের সমান।
* মহাকাশচারীরা আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে অবস্থানকালে প্রতিদিন ১৫ বার সূর্যোদয় এবং ১৫ বার সূর্যাস্ত দেখেন।
* একটা স্পেস স্যুট বানাতে খরচ হয় প্রায় ১২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
* মহাকাশ স্টেশনে অবস্থান কালে নভোচারীরা প্রতিদিন প্রায় ২ ঘণ্টা শারীরিক অনুশীলন করেন।
* অধিকাংশ মহাকাশচারীই মহাকাশে গেলে দুই ইঞ্চি লম্বা হয়ে যান।
* মহাকাশে ইচ্ছা করলেও আপনি চোখের জল ঝরিয়ে কাঁদতে পারবেন না। কারণ চোখের পানি আপনার চোখ থেকে পড়তে পারবে না।
* মহাকাশে গেলে সূর্যকে আপনি কখনও হলুদ দেখবেন না, তখন সূর্যকে সম্পূর্ণ সাদা দেখায়।
* মহাকাশে গেলে সেখানকার পরিবেশের গন্ধ সম্পর্কে নভোচারীরা জানিয়েছেন তারা যখন স্পেসে ভ্রমণ করেন
তখন তাদের কাছে মহাকাশের গন্ধ উত্তপ্ত ধাতু এবং ওয়েল্ডিংয়ের সময় যে গন্ধ বের হয় ঠিক সে রকমই লাগে।
* ১৯৬২ সালে আমেরিকা মহাকাশে হাইড্রোজেন বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল যা জাপানের হিরোশিমাতে বিস্ফোরিত বোমার চেয়ে ১০০ গুণ শক্তিশালী ছিল।
একদিন প্রতিদিন ডেস্ক
শিশু খেতে না চাইলে কী করবেন?
শিশু খেতে না চাইলে কী করবেন?
১. পরিমিত খাবার দিন
শিশুর পাকস্থলি ছোট। এ কারণে তার কাছ থেকে বড় মানুষের মতো খাওয়া আশা করা উচিত হবে না। প্রতিবার অল্প অল্প করে শিশুকে খেতে দিন। কখনো বেশি খাবার খেয়ে ফেললে তার রুচি নষ্ট হতে পারে। প্রতিদিন পাঁচ থেকে ছয়বার তার ধারণক্ষমতা অনুযায়ী খাবার খেতে দিন তাকে।
২. পুষ্টিকর খাবার
শিশুর পক্ষে বেশি খাবার খাওয়া সম্ভব নয়। তাই তাকে যতটা সম্ভব পুষ্টিকর খাবার খেতে দিতে হবে। এক্ষেত্রে খাবারটি যেন শিশুর হজম হয় সেজন্যও মনোযোগী হতে হবে। নরম খাবারে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তবে শিশুর প্রয়োজন অনুযায়ী কামড়ানোর জন্য কিছু শক্ত টোস্ট বা এ ধরনের খাবারও দেওয়া যেতে পারে।
৩. খেলাধুলা
ক্ষুধা বৃদ্ধির জন্য শিশুর পর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম প্রয়োজন। এজন্য শিশুকে বাড়ির বাইরে নিয়ে খেলাধুলা করতে দিতে হবে। শিশু যেন বাড়িতে অলস বসে থেকে টিভি, মোবাইল বা কম্পিউটারে সময় না কাটায় সেজন্য লক্ষ্য রাখতে হবে।
৪. শিশুর পছন্দ জানুন
আপনার শিশু যে সব খাবার খেতে চাইবে তা নয়। তার নির্দিষ্ট রুচি গড়ে উঠবে। আপনার উচিত হবে তার সে পছন্দকে অগ্রাধিকার দিয়ে পুষ্টিকর খাবার দেওয়া। খাবারে বৈচিত্র আনতে হবে। প্রতিদিন একই খাবার সে খেতে চাইবে না। তাই প্রতিদিন ভিন্ন ভিন্ন খাবার দিতে হবে।
৫. রাগারাগি ও দুশ্চিন্তা নয়
শিশু যদি খেতে না চায় তাহলে বাড়তি দুশ্চিন্তা করবেন না। অনেকেই শিশুর সঙ্গে রাগারাগি করেন কিংবা জোর করে খাওয়ানোর চেষ্টা করেন। এতে সমস্যা আরও বেড়ে যায়। শিশু খেতে না চাইলে খাবার নিয়ে জোর না করে তা সরিয়ে ফেলতে হবে। কিছুক্ষণ পরে শিশুর চাহিদা অনুযায়ী অন্য খাবার দিতে হবে।
–বিবিসি অবলম্বনে
জন্ডিস হলে কী করবেন
জন্ডিস হলে কী করবেন
জন্ডিস কোনো রোগ নয়, এটি হলো রোগের লক্ষণ। যেসব রোগে লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সেসব রোগে জন্ডিস দেখা দেয়। যেমন লিভারে হেপাটাইটিস ভাইরাসের আক্রমণ; মদ, অতিরিক্ত প্যারাসিটামল বা বিষাক্ত মাশরুম সেবনে লিভার ড্যামেজ, কিছু রোগে লিভারে অতিরিক্ত আয়ন জমে লিভার ড্যামেজ, শরীরের রোগ প্রতিরোধের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কোষগুলো অতি সক্রিয় হয়ে গিয়ে লিভারকে আক্রমণ অথবা জন্মগত ত্রুটির কারণে লিভারের সঙ্গে অন্ত্রের সংযোগ স্থলে কোনোপ্রকার বাধা। এছাড়াও যদি কোনো কারণে শরীরের লোহিত রক্তকনিকা অতিরিক্ত ভাঙতে থাকে তাহলেও জন্ডিস দেখা দেয়। এগুলো ছাড়াও ক্যান্সার, গলব্লাডারে সমস্যা ইত্যাদিতেও জন্ডিস দেখা যায়।
জন্ডিসের লক্ষণ :
হালকা জ্বর, দুর্বলতা, হলুদাভ ত্বক ও চোখ, অরুচি, বমি বমি ভাব থাকা বা বমি হওয়া, মাংসপেশী বা জয়েন্ট এ ব্যথা, কালচে মুত্র, কাদার মতো মল ও চুলকানি।
জন্ডিসের চিকিৎসা :
১. জন্ডিস নির্মূল এর জন্য ওষুধের প্রয়োজন না থাকলেও ডাক্তার আপনাকে জন্ডিসের অন্যান্য উপসর্গ যেমন বমি ভাব, চুলকানি ইত্যাদি কমানোর ওষুধ দিয়ে আপনার কষ্ট দূর করার জন্য।
২. কারো কারো ক্ষেত্রে (বৃদ্ধ বা শিশু) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দূর্বল থাকতে পারে, যা ভাইরাসের সাথে যুদ্ধ করার জন্য যথেষ্ট নয়। ডাক্তার সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিবে।
৩. যদিও জন্ডিস বলতে সাধারণ অর্থে ভাইরাল হেপাটাইটিস বোঝানো হয় এবং এই লেখার মূল ফোকাস সেখানেই, কিন্তু প্রথমেই তো বলে হয়েছে যে অন্যান্য অনেক কারণে জন্ডিস হতে পারে। সেসব কারণের জন্য কিন্তু ওষুধ খেতে হবে যা একমাত্র ডাক্তারই পারে নিশ্চিত করতে।
৪. জন্ডিস হলে অতিরিক্ত নয়, পর্যাপ্ত পানি গ্রহণ করুন। দিনে তিন লিটার বা ১২ গ্লাস এর মত পানি খেতে চেষ্টা করুন।
৫. জন্ডিস হলে তেল কম খেতে বলা হয়, কারণ তেল হজম করার জন্য বাইল নামক একটি পদার্থের প্রয়োজন হয় যা লিভার হতে তৈরী হয়। জন্ডিসে যেহেতু লিভার নাজুক অবস্থায় থাকে তাই একে অতিরিক্ত চাপ না দেওয়ার জন্য তেল এড়িয়ে চলতে বলা হয়।
৬. জন্ডিস হলে অনেকে এ সময় মাছ-মাংস খাওয়া থেকে বিরত থাকে যা একেবারেই অনুচিত। এতে শরীরে প্রোটিন এর অভাব ঘটে যা আরো নানা ধরণের জটিলতা বয়ে আনতে পারে।
৭. গবেষনায় ভিটামিন সেবনে জন্ডিস দ্রুত আরোগ্যের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই ভিটামিন নেয়াটাও অত্যাবশ্যক না।
৮. সমস্ত শরীরের মেটাবলিসমের অনেকটাই নির্ভর করে লিভারের উপর। এসময় বিশ্রাম নিলে মেটাবলিসমের হার কম থাকে এবং লিভারের উপর চাপ কম পরে।
৯. লিভারের নাজুক অবস্থায় এই জাতীয় ওষুধ ব্রেনের উপর কাজ করে অনেক সময় আপনাকে এমনকি কোমাতেও নিয়ে যেতে পারে।
চোখ লাফালে কী করবেন?
চোখ লাফালে কী করবেন?
ডান চোখ লাফালে ভালো খবর আসে, খারাপ খবর আসে বাম চোখ লাফালে- এমন ভ্রান্ত ধারণায় বিশ্বাস রয়েছে অনেকের। সেই ভ্রান্ত ধারণায় বিশ্বাসীরা সেই সঙ্গে এও বিশ্বাস করেন যে, বাম চোখ লাফালে চোখে ডান পায়ের আঙুল ছোঁয়াতে হয়। এতে খারাপ সংবাদ আসার সম্ভাবনা কেটে যায়।
চোখ লাফানোর বিষয়টা খুব বড় কোনো ঘটনা না হলেও অনেক ক্ষেত্রেই তা বিরক্তিকর হতে পারে।
ওমাহার ট্রুহলসেন আই ইন্সটিটিউট অব দ্য ইউনিভার্সিটি অব নেবরাস্কা মেডিকেল সেন্টারের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর ডনি সুহ বলছেন, আসলে কোনো কারণে চোখের পেশিগুলো বেশি সক্রিয় হয়ে উঠলে চোখ লাফায়।
আসলে যেসব কারণে এমন হয় সেগুলো খুব সহজে প্রতিরোধও করা যায়। চোখ লাফানোর কারণগুলোর মধ্যে অন্যতম- ক্লান্তি ও ঘুম কম হওয়া। এছাড়া বেশি মাত্রায় ক্যাফেইন, অ্যালকোহল অথবা নিকোটিন সেবনের কারণেও চোখ লাফাতে পারে।
এ ছাড়া চোখ শুষ্ক হয়ে যাওয়ার কারণেও চোখ লাফাতে পারে। চোখ শুষ্ক আবার নানা কারণে হতে পারে।
এগুলো খুব সহজ কিছু বিষয় হলেও গ্লুকোমা, ব্লেফারিতিসের মতো রোগের লক্ষণ হয়েও দেখা দিতে পারে চোখ লাফানো।
সাধারণত একাই শুরু হয় এবং একাই থেমে যায় চোখ লাফানো। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে চিকিৎসকের শরণাপন্নও হওয়ার প্রয়োজন হতে পারে।
কীভাবে বন্ধ করবেন
ড. সুহ বলছেন, লাইফস্টাইলে পরিবর্তন আনাটা জরুরি। ইলেকট্রনিক স্ক্রিনের দিকে একবারে বেশি সময় না তাকিয়ে থাকারও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। কম্পিউটার সামনে বসে কাজের সময় প্রতি ১০ মিনিট পর পর চোখ কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ রাখতে বলছেন তিনি। এরপর কিছুক্ষণের জন্য তাকাতে হবে দূরের কোনো বস্তুর দিকে।
ড. সুহ বলছেন, এর জন্য সর্বোচ্চ ১০ থেকে ১৫ সেকেন্ড সময় লাগবে। তাই কেউ যদি বলে সময় নেই, সেটা ঠিক না।
সূত্র : হেলথডটকম
Monday, August 28, 2017
ওজন কমানোর সেরা অস্ত্র ‘কালোজিরা আর মধু’ জেনে নিন কিভাবে খাবেন।

ওজন কমানোর সেরা অস্ত্র ‘কালোজিরা আর মধু’ জেনে নিন কিভাবে খাবেন।
সকালে ঘুম থেকে উঠার পরপরই অনেকের বিভিন্ন ধরণের খাদ্যাভাস থাকে। কেউ
সকালে ঘুম থেকে উঠেই পানি পান করতে পছন্দ করে। কেউ আবার কিছুক্ষণ ব্যায়াম
করে নিতে ভালবাসে। আবার কেউ কেউ ব্যস্ততার অজুহাতে শরীরের জন্য সামান্য
কিছু করে উঠতে পারে না।
আসলে ঘুম থেকে উঠার পরপর আমাদের কি করা উচিৎ? জানেন কি?
যারা ওজন কমানোর চেষ্টায় বারবার ব্যর্থ হয়েছেন, তারা এই উপায় অবলম্বন করতে পারেন।
১. ঘুম থেকে উঠেই হালকা গরম পানির সাথে লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এবার, এতে এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করে ফেলুন। এই পানীয় আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। এতে আপনার মেদ কমে যাবে, পাশাপাশি সারাদিনের খাদ্যাভাসেও পরিবর্তন আসবে।
যাদের ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা রয়েছে, মধু তাদের জন্য অনেক বেশি উপকারী। কাশি ও সর্দি দূর করার কজ্য মধু আর সরিষার তেল মিশিয়ে খেলেও অনেক উপকার পাওয়া যায়।
২. মানুষের অন্ত্রে প্রায় ১৮০০ রোগের জীবাণু থাকে। কালোজিরা এমন এক মহৌষধ যা মরণ ব্যতীত সকল রোগ দূর করতে পারে। তাই প্রতিদিন সকালে অন্তত এক চামচ কালোজিরা খাবার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এতে করে আপনাদের শরীরের সকল অসুস্থতা দূর হবে।
৩. ত্বকের গঠনের উন্নতি ও ত্বকের প্রভা বৃদ্ধির জন্য কালোজিরা অত্যাবশ্যকীয়। এতে লিনোলেইক ও লিনোলেনিক নামের এসেনশিয়াল ফ্যাটি এসিড থাকে যা পরিবেশের প্রখরতা, স্ট্রেস ইত্যাদি থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করে এবং ত্বককে সুন্দর করে ও ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে।
মধু ও কালোজিরার পেস্ট বানিয়ে ত্বকে লাগিয়ে আধাঘন্টা বা একঘন্টা রাখে ধুয়ে ফেলুন, এতে ত্বক উজ্জ্বল হবে।
৪. ডায়াবেটিকদের রোগ উপশমে বেশ কাজে লাগে কালিজিরা। এক চিমটি পরিমাণ কালিজিরা এক গ্লাস পানির সঙ্গে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেয়ে দেখুন, রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
এছাড়া এক কাপ চা-চামচকালোজিরার তেল, এক কাপ রং চা বা গরম ভাতের সাথে মিশিয়ে দৈনিক ২বার করে নিয়মিত সেব্য। যা ডায়বেটিকস নিয়ন্ত্রণে একশত ভাগ ফলপ্রসূ।
১. ঘুম থেকে উঠেই হালকা গরম পানির সাথে লেবুর রস মিশিয়ে নিন। এবার, এতে এক চামচ মধু মিশিয়ে পান করে ফেলুন। এই পানীয় আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী। এতে আপনার মেদ কমে যাবে, পাশাপাশি সারাদিনের খাদ্যাভাসেও পরিবর্তন আসবে।
যাদের ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা রয়েছে, মধু তাদের জন্য অনেক বেশি উপকারী। কাশি ও সর্দি দূর করার কজ্য মধু আর সরিষার তেল মিশিয়ে খেলেও অনেক উপকার পাওয়া যায়।
২. মানুষের অন্ত্রে প্রায় ১৮০০ রোগের জীবাণু থাকে। কালোজিরা এমন এক মহৌষধ যা মরণ ব্যতীত সকল রোগ দূর করতে পারে। তাই প্রতিদিন সকালে অন্তত এক চামচ কালোজিরা খাবার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এতে করে আপনাদের শরীরের সকল অসুস্থতা দূর হবে।
৩. ত্বকের গঠনের উন্নতি ও ত্বকের প্রভা বৃদ্ধির জন্য কালোজিরা অত্যাবশ্যকীয়। এতে লিনোলেইক ও লিনোলেনিক নামের এসেনশিয়াল ফ্যাটি এসিড থাকে যা পরিবেশের প্রখরতা, স্ট্রেস ইত্যাদি থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করে এবং ত্বককে সুন্দর করে ও ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে।
মধু ও কালোজিরার পেস্ট বানিয়ে ত্বকে লাগিয়ে আধাঘন্টা বা একঘন্টা রাখে ধুয়ে ফেলুন, এতে ত্বক উজ্জ্বল হবে।
৪. ডায়াবেটিকদের রোগ উপশমে বেশ কাজে লাগে কালিজিরা। এক চিমটি পরিমাণ কালিজিরা এক গ্লাস পানির সঙ্গে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেয়ে দেখুন, রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
এছাড়া এক কাপ চা-চামচকালোজিরার তেল, এক কাপ রং চা বা গরম ভাতের সাথে মিশিয়ে দৈনিক ২বার করে নিয়মিত সেব্য। যা ডায়বেটিকস নিয়ন্ত্রণে একশত ভাগ ফলপ্রসূ।
Subscribe to:
Posts (Atom)



